মঙ্গলবার, ১৪ Jul ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
সুনামগঞ্জের আট উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত দিরাইয়ে পাওয়া গেছে নিষিদ্ধ সাকার ফিসের অস্বিস্ত দিরাইয়ে বিশেষ অভিযানে ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ দিরাই প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে নবাগত ওসির মতবিনিময়: দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দিরাইয়ে পঞ্চায়েতি বিচারের নামে রাষ্ট্রবিরোধী আইন: নিরাপত্তাহীনতায় বহু পরিবার লন্ডনে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় বক্তাগণ: মুহাদ্দিস হবিগঞ্জী ছিলেন এ শতাব্দীর বিরল প্রতিভা ও ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ দিরাই উপজেলা ও পৌর বিএনপিকে অবগত না করেই সংবাদ সম্মেলন: মিশ্র প্রতিক্রিয়া হাফিজ সৈয়দ নাঈমের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউ.কে হেফাজত ব্যাহত হচ্ছে কাজের গতি: সুনামগঞ্জের ১২টি উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পদগুলো শূণ্য দিরাইয়ে নিজের নাম পরিবর্তন করে প্রতারণার মাধ্যমে পিতার সম্পতির জবর দখল, বঞ্চিত ভাই-বোনেরা: মামলা-পাল্টা মামলায় নিঃস্ব জাহির আলী
বাহুবলে চার শিশু হত্যা: পাঁচ দিন রিমান্ড শেষে বশিরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

বাহুবলে চার শিশু হত্যা: পাঁচ দিন রিমান্ড শেষে বশিরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

fgdfgd_118151আমার সুরমা ডটকম : জেলার বাহুবলে চার শিশু হত্যার ঘটনায় গ্রেফতারের পর পাঁচ দিন রিমান্ড শেষে বশির মিয়াকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার দুপুরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. কাউসার আলমের আদালতে হাজির করার পর কারাগারে পাঠানো হয়। গত সোমবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিন হেফাজতে (রিমান্ড) নেয়ার আদেশ দেন বিচারিক হাকিম কৌশিক আহাম্মদ খোন্দকার।
হবিগঞ্জের আদালত পরিদর্শক কামাল আহমেদ জানান, রিমান্ডের নির্ধারিত পাঁচ দিন শেষ হওযার পর নিয়ম অনুযায়ী আদালতকে অবহিত করে আসামিকে কারাগারে পাঠাতে হয়। “তাই শুক্রবার বন্ধের দিন হলেও বিচারকের চেম্বারে এ ব্যাপারে অবহিত করে বশিরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।” মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবির ওসি মোক্তাদির হোসেন বলেন, বশিরকে পাঁচ দিন ধরে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। শনিবার আরো ১০ দিন রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
প্রসঙ্গত, ১২ ফেব্রুয়ারি বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের মো. ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), আবদুল আজিজের ছেলে তাজেল মিয়া (১০), আবদাল মিয়ার ছেলে মনির মিয়া (৭) এবং তাদের আত্মীয় আবদুল কাদিরের ছেলে ইসমাঈল হোসেন (১০) নিখোঁজ হয়। ১৩ ফেব্রুয়ারি এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়রি করেন জাকারিয়া শুভর বাবা ওয়াহিদ মিয়া। ১৬ ফেব্রুয়ারি থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন নিহত মনির মিয়ার বাবা আবদাল মিয়া। ১৭ ফেব্রুয়ারি ওই গ্রামে চার শিশুর বালিচাপা দেয়া লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়। এরমধ্যে ছয়জন রয়েছেন কারাগারে এবং একজন রয়েছেন পুলিশ রিমান্ডে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com